October 29, 2026, 4:11 pm
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একজনের এক বছরের কারাদণ্ড পূবাইলে অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল নারীর আদর্শ ওয়ার্ড ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে  চান কাউন্সিলর প্রার্থী মো: ইউসুফ মিয়া রূপগঞ্জে ভাঙ্গারির গোডাউনে আগুন, দগ্ধ ১ কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় ঘাতক পিকআপ উদ্ধার, হেলপার গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে দীপু ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা দিবে প্রবাসী রূপগঞ্জবাসী মধ্য নন্দীপাড়ায় মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসবিরোধী রাতারাতি বিশেষ অভিযান আত্রাই নদে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ বিএনপি নেতা শরিফুলের বিরুদ্ধে, নীরব কেন প্রশাসন? অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়?

ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: প্রকল্প পরিচালক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের জন্য সরকার অনুমোদিত প্রায় ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান এবং প্রশিক্ষণ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি।

অভিযোগ অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলায় ২৮ হাজার ৮০০ জনকে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেওয়ার কথা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা ও ৩০০ টাকা খাবার ভাতা দেওয়ার কথা ছিল। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী উচ্চমাধ্যমিক পাস কর্মপ্রত্যাশী নারী-পুরুষ এ প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত হওয়ার কথা।

তবে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন জেলায় ভুয়া নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে প্রশিক্ষণার্থীর তালিকা তৈরি এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলমের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে পাওয়া রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বিতর্কিতভাবে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিংকে কাজ পাইয়ে দেন। এছাড়া বিভিন্ন সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশে প্রভাব বিস্তারেরও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা অনিয়ম হয়েছে এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। তাদের দাবি, প্রকল্প-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতার ঘাটতি ছিল। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তারা প্রকাশ্যে কোনো নথি উপস্থাপন করেননি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলমের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।



ফেসবুকে আমরা