October 29, 2026, 4:13 pm
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একজনের এক বছরের কারাদণ্ড পূবাইলে অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল নারীর আদর্শ ওয়ার্ড ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে  চান কাউন্সিলর প্রার্থী মো: ইউসুফ মিয়া রূপগঞ্জে ভাঙ্গারির গোডাউনে আগুন, দগ্ধ ১ কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় ঘাতক পিকআপ উদ্ধার, হেলপার গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে দীপু ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা দিবে প্রবাসী রূপগঞ্জবাসী মধ্য নন্দীপাড়ায় মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসবিরোধী রাতারাতি বিশেষ অভিযান আত্রাই নদে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ বিএনপি নেতা শরিফুলের বিরুদ্ধে, নীরব কেন প্রশাসন? অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়?

ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার শাহিন আলম, অন্যান্য সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি প্রিয়া চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রিয়া চৌধুরী

বগুড়া মহানগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা, জিয়া সাইবার ফোর্সের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক প্রতিনিধি এবং জাতীয় দৈনিক দেশ বুলেটিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত মো. শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শাহিন আলমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বগুড়া মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে। তবে তিনি যে অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, সেসব সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করলেও অভিযোগ রয়েছে, সেই নীতিকে উপেক্ষা করে শাহিন আলম মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনও ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, শাহিন আলমের মাদক সেবনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, “আমাকে পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে আমার সম্মানহানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং আইনগত বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।



ফেসবুকে আমরা