September 13, 2026, 4:42 pm
শিরোনাম :
ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও স্ত্রীর ৫৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা ঢাকা দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরে আসিফ মাহমুদ বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো: অভিযোগের স্তরে স্তরে অনিয়মের প্রশ্ন বিএনপি পরিবারের ব্যবসা-বাণিজ্যে হামলা-হয়রানির অভিযোগ ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার দুই বছরেও চালু হয়নি ১৫ দিনের মধ্যে সুপেয় পানি সরবরাহের দাবি কুমিল্লায় ছিনতাই ও মাদক সেবনের অভিযোগে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান মুগদা ফাঁড়িতে অভিযোগের ছায়া ‎চৌদ্দগ্রামে শহীদ হাজী সুরুজ মিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণে, মোহাম্মদ তাহের। মুগদা মেডিকেলের ওয়ার্ড থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকে প্রেরণ

বৃহৎ ঋণ ও একক ঋণগ্রহীতা সীমায় নতুন শিথিলতা বাংলাদেশ ব্যাংকের

আমাদের কলম অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ করতে একক ঋণগ্রহীতা ও বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার সীমা সংক্রান্ত নীতিমালায় নতুন শিথিলতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক সার্কুলার জারি করেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের অনুকূলে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের মোট পরিমাণ আগামী ৩০ জুন ২০২৮ পর্যন্ত ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এর আগে এ সীমা ছিল ১৫ শতাংশ।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প খাতের অর্থায়ন সহজ করতে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে রূপান্তর গুণক বা কনভার্সন ফ্যাক্টর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের মাত্র ২৫ শতাংশ হিসাবায়নে বিবেচিত হবে।

একইসঙ্গে বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিও সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও মোট ঋণ ও অগ্রিমের সঙ্গে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ২৫ শতাংশ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ শিথিলতা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর ধাপে ধাপে কনভার্সন ফ্যাক্টর বাড়ানো হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তা ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পূর্বের বিধান অনুযায়ী ৫০ শতাংশ কনভার্সন ফ্যাক্টর পুনরায় কার্যকর হবে।

এদিকে, শ্রেণিকৃত ঋণের হার অনুযায়ী বৃহৎ ঋণ অনুমোদনের সীমাও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ মোট বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিওর ১০ শতাংশ বা তার কম হলে, সে ব্যাংক মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণ অনুমোদন করতে পারবে।

এছাড়া শ্রেণিকৃত ঋণের হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সীমা কমে সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশে নেমে আসবে।তবে যে কোনো অবস্থায় ব্যাংকের মোট বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার ব্যাংকের মূলধনের ৬০০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা