June 14, 2026, 2:12 am
শিরোনাম :
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? ব্রাজিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলে সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমর্থকদের জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন। নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই সিরাজদিখানে জমি বিরোধে ছয়জনকে জখমের ঘটনায় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন নিলয় গ্রেফতার কসবায় দুই গ্রামবাসীর সং’ঘ’র্ষ, আ’হত ৬০ সিরাজদিখানে পুলিশের ১২ ঘণ্টার ঝটিকা অভিযান: সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ১৪ সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মুগদা থানায় জিডি হানি ট্র্যাপ চক্রের গডফাদারের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকি, মুগদা থানায় জিডি। সিরাজদিখানে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত কাঠের ব্রীজের শুভ উদ্বোধন মুগদায় হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের গডফাদার হিজড়া মৌসুমী ও মাদক ব্যবসায়ী রুমার আতংকে এলাকাবাসী

ব্রয়লারের চেয়ে মাছের দাম বেশি, গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি

অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে মাছ, ব্রয়লার মুরগী ও গরুর মাংসের দাম কিছুটা অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। আর ব্রয়লার মুরগী ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এখন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। তবে রমজানের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগী ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০শ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া জানান, এক কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়। আগে এই দুইটি মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। রুই, কাতলা কিংবা টেংরার দিকে তাকানো যাবে না। সেগুলো নিলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগবে। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষের এত টাকা দিয়ে মাছ কিনে খেতে পারবো না।

বাজারগুলোতে সরেজমিনে দেখা গেছে, গরু ও মুরগীর তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই মাছের দাম করে চলে যেতে দেখা যায়। তবে মাছের বাজারের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কম বলে মনে করছেন ক্রেতারা। ক্রেতা কিছুটা কম বলেও জানান বিক্রেতারা।

রায়ের বাজার এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লা মুরগির সংকট কমেছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাল রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে।ব্রয়লার মুরগির ক্রেতা আনিসুল ইসলাম বলেন, আজ ১৭৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমি একটি কিনেছি। আমি এক কেজি ৭শ গ্রামের একটু বেশি ওজনেরটা কিনেছি ৩০০ টাকায়। প্রথম রোজার দিন ১৯০ টাকা কেজি কিনতে হয়ছে।



ফেসবুকে আমরা