October 28, 2026, 4:01 am
শিরোনাম :
পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ যাত্রাবাড়ীতে সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মুঠোফোন কেড়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আদাবর থানায় ওসি জাহিদের উদ্যোগে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ নির্মূলে তৎপরতা ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কালীগঞ্জ ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী রবিউল ইসলাম এর আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস রাজশাহীর বেলপুকুরিয়ায় দোমাদী আদর্শ কৃষি ক্লাবের উদ্যোগে মাদক ও জুয়া বিরোধী আলোচনা সভা ‎গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই আলতাফের বিরুদ্ধে আইজিপির দপ্তর ও অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ কলাপাড়ায় স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী কৃষ্ণ কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ চুরি ঘিরে নানা অভিযোগ নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের   ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব়্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ হাসপাতালে রোগীর স্বর্ণালংকার চুরির চেষ্টা, আনসার সদস্যদের হাতে আটক ৪ নারী

গুলশানের বারে অভিযান ঘিরে মান্ডায় আলোচনা, অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস ওসির

প্রিয়া চৌধুরী

প্রিয়া চৌধুরী

 

রাজধানীর গুলশানের ‘মিডিয়া ক্লাব’ নামের একটি বারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ঘিরে মান্ডার প্রথম গলিতে বসবাসকারী তানিশা আক্তার মিতুকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বাসায় লোকজনের যাতায়াত, ভাড়াটিয়ার তথ্য সংরক্ষণ এবং বাড়িভাড়া আদায়ের পদ্ধতি নিয়ে কয়েকজন বাসিন্দা প্রশ্ন তুলেছেন। এসব বিষয়ের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

অভিযান ঘিরে আলোচনার সূত্রপাত

 

স্থানীয় সূত্রের দাবি, গুলশানের ‘মিডিয়া ক্লাব’ বারে অভিযানের পর তানিশা আক্তার মিতুকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাঁর আটকের বিষয়টি, অভিযানের প্রকৃত ঘটনা এবং এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আইনগত অভিযোগ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, মান্ডার প্রথম গলির একটি সাততলা আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় বসবাসকারী মিতুর বাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে আগে থেকেই এলাকায় আলোচনা ছিল। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

ভাড়াটিয়ার তথ্য ও বাড়িভাড়া আদায় নিয়ে প্রশ্ন

 

এলাকাবাসীর কয়েকজনের দাবি, ভবনটিতে ভাড়াটিয়াদের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনের অন্যান্য তলার ভাড়া দারোয়ানের মাধ্যমে আদায় করা হলেও সপ্তম তলার ভাড়া বাড়িওয়ালা নিজে আদায় করেন বলে তাঁরা দাবি করছেন।

 

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে—এমন কোনো দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্তে না গিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করা জরুরি।

 

অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস ওসির

 

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্লাহর সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি সংবাদটির ভিত্তিতে অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখবেন বলে সাংবাদিকদের আশ্বাস দেন।

 

তাঁর এ আশ্বাসের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তদন্তের ফলাফল বা এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোনো পদক্ষেপের তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

বক্তব্য পাওয়া গেলে যুক্ত হবে

 

এ বিষয়ে তানিশা আক্তার মিতু ও সংশ্লিষ্ট বাড়িওয়ালার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা যাচাই, ভাড়াটিয়ার তথ্য সংরক্ষণের বিষয়টি পর্যালোচনা এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। তবে কেবল স্থানীয় অভিযোগ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমেই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসা জরুরি।

 

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।



ফেসবুকে আমরা