October 28, 2026, 2:54 am
শিরোনাম :
পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ যাত্রাবাড়ীতে সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মুঠোফোন কেড়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আদাবর থানায় ওসি জাহিদের উদ্যোগে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ নির্মূলে তৎপরতা ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কালীগঞ্জ ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী রবিউল ইসলাম এর আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস রাজশাহীর বেলপুকুরিয়ায় দোমাদী আদর্শ কৃষি ক্লাবের উদ্যোগে মাদক ও জুয়া বিরোধী আলোচনা সভা ‎গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই আলতাফের বিরুদ্ধে আইজিপির দপ্তর ও অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ কলাপাড়ায় স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী কৃষ্ণ কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ চুরি ঘিরে নানা অভিযোগ নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের   ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব়্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ হাসপাতালে রোগীর স্বর্ণালংকার চুরির চেষ্টা, আনসার সদস্যদের হাতে আটক ৪ নারী

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে হেয় করার চেষ্টা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

গিয়াস উদ্দিন আল মামুন একজন ভালো মানুষ, ব্যবসায়ী ও জনবান্ধব ব্যক্তি—এমন দাবি করেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধ ও প্রতিহিংসার কারণে বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

মামুনের অনুসারীদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে বেশ কিছু অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পরও তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক মামলায় উচ্চ আদালতে খালাস পাওয়ার ঘটনাকেও তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

সমর্থকদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনকে বিচ্ছিন্ন কোনো অভিযোগ বা রাজনৈতিক প্রচারণার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তাই আদালতের রায়, নথিভুক্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতেই গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করেন তাঁরা।

একজন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী বলেন, “গিয়াস উদ্দিন মামুন ভাই একজন ভালো মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যে অভিযোগগুলো তোলা হয়েছে, সেগুলোর অনেকটাই আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ বলে মনে করি। তাঁকে হেয় করে তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হয়েছে।”

আরেকজন সমর্থক বলেন, দীর্ঘ কারাবাস ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও মামুন তাঁর আইনি লড়াই চালিয়ে গেছেন। আদালতের বিভিন্ন রায়ে তাঁর পক্ষে সিদ্ধান্ত আসায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তাঁদের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নথিভুক্ত তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তাঁরা।

সমর্থকদের প্রত্যাশা, গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ঘিরে ভবিষ্যতের আলোচনা হবে তথ্য, আদালতের নথি ও তাঁর বাস্তব কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক বিরোধ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দীর্ঘদিনের সামাজিক পরিচয় ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা উচিত নয়।

তাঁরা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে একজন ভালো মানুষ, ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে মূল্যায়ন করেন।



ফেসবুকে আমরা