April 19, 2026, 4:23 am
শিরোনাম :
মুগদা থানা এলাকায় অটো রিকশা গ্যারেজে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ রাজধানীর মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগর এলাকায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, মাদক বাণিজ্য ও জুয়ার আসর। বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: কঠোর শাস্তির দাবি সিরাজদিখানে মোহাম্মাদীয়া দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর শুভাগমন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক থেকে দূরে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চৌদ্দগ্রামে তরুনদের মাঝে শতাধিক ফুটবল বিতরণ “মুগদায় মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে একা লড়ছেন সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরী” সিরাজদিখানে হাজী আবুবকর সিদ্দিক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলপিজি দামে আগুন রান্নাঘরে ফিরছে লাকড়ির চুলা

ব্রয়লারের চেয়ে মাছের দাম বেশি, গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি

অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে মাছ, ব্রয়লার মুরগী ও গরুর মাংসের দাম কিছুটা অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। আর ব্রয়লার মুরগী ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এখন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। তবে রমজানের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগী ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০শ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া জানান, এক কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়। আগে এই দুইটি মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। রুই, কাতলা কিংবা টেংরার দিকে তাকানো যাবে না। সেগুলো নিলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগবে। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষের এত টাকা দিয়ে মাছ কিনে খেতে পারবো না।

বাজারগুলোতে সরেজমিনে দেখা গেছে, গরু ও মুরগীর তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই মাছের দাম করে চলে যেতে দেখা যায়। তবে মাছের বাজারের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কম বলে মনে করছেন ক্রেতারা। ক্রেতা কিছুটা কম বলেও জানান বিক্রেতারা।

রায়ের বাজার এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লা মুরগির সংকট কমেছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাল রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে।ব্রয়লার মুরগির ক্রেতা আনিসুল ইসলাম বলেন, আজ ১৭৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমি একটি কিনেছি। আমি এক কেজি ৭শ গ্রামের একটু বেশি ওজনেরটা কিনেছি ৩০০ টাকায়। প্রথম রোজার দিন ১৯০ টাকা কেজি কিনতে হয়ছে।



ফেসবুকে আমরা