June 14, 2026, 5:21 am
শিরোনাম :
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? ব্রাজিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলে সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমর্থকদের জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন। নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই সিরাজদিখানে জমি বিরোধে ছয়জনকে জখমের ঘটনায় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন নিলয় গ্রেফতার কসবায় দুই গ্রামবাসীর সং’ঘ’র্ষ, আ’হত ৬০ সিরাজদিখানে পুলিশের ১২ ঘণ্টার ঝটিকা অভিযান: সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ১৪ সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মুগদা থানায় জিডি হানি ট্র্যাপ চক্রের গডফাদারের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকি, মুগদা থানায় জিডি। সিরাজদিখানে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত কাঠের ব্রীজের শুভ উদ্বোধন মুগদায় হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের গডফাদার হিজড়া মৌসুমী ও মাদক ব্যবসায়ী রুমার আতংকে এলাকাবাসী

সোনার দুলের লোভে ৬ বছরের শিশুকে হত্যা, প্রতিবেশী দম্পতিসহ আটক ৩

বিশেষ প্রতিনিধি, বগুড়া:

বিশেষ প্রতিনিধি, বগুড়া:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে সোনার দুলের লোভে ৬ বছর বয়সী শিশু রাখা মনিকে হত্যার অভিযোগ প্রতিবেশী দম্পতির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া মহল্লায় অভিযুক্ত আমজাদের বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সাধারণ জনতা আটককৃতদের গণপিটুনি এবং তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। আটককৃতরা হলেন- সাহেব পাড়ার আমজাদ, তার স্ত্রী বন্যা ও প্রতিবেশী মো. বাবু।

জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও অটোভ্যান গ্যারেজের কর্মচারী আবু রায়হানের শিশুকন্যা রাখা মনি। শিশুটির মা অন্যত্র বিয়ে করায় দাদির কাছে থাকতো। সে স্থানিয় একটি নূরানী মাদরাসায় নার্সারি শ্রেণীর শিক্ষার্থী। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটি বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। এসময় শিশুটি একা থাকার সুযোগে তাকে ধরে আমজাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির কানে একজোড়া সোনার দুল ছিলো। সেটি ছিনিয়ে নিয়ে তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর বস্তাবন্দি করে লাশটি মেঝেতে ফেলে রাখা হয়।

এদিকে শিশুটিকে ওইদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে কিশোর আমিন প্রতিবেশী আমজাদের বাড়িতে শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায়। বিষয়টি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা আমজাদ ও তার স্ত্রী বন্যাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরেক প্রতিবেশী বাবুকেও আটক করে পুলিশ। পুলিশ তাদের থানায় নেওয়ার পরপরই এলাকাবাসী আটককৃতদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক ও কয়েকজন সদস্য আহত হন।

সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সোনার দুলের লোভেই শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো এক নারীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা