
সটাফ রিপোর্টার
রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-১ ও নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ব্যবসায়ী এস এম আলম ও তাঁর সহযোগী নুপুরকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও কয়েকজন ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সন্দেহজনক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এস এম আলম নিজেকে একটি বহুমাত্রিক (এমএলএম) ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচয় দিলেও তাঁর কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের দাবি, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে অর্থ নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিকুঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি অফিসে কয়েকজন নারী নিয়মিত অবস্থান করেন। তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটানো ও হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নুপুর নামে এক নারীর সঙ্গে এস এম আলমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে। একাধিক সূত্রের দাবি, তাঁকে একটি ফ্ল্যাটে রাখা হয়েছে এবং তাঁর মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যদিও এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো স্বতন্ত্র প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
একজন ভুক্তভোগী, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, জানান,তিনি এস এম আলমের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাওনা রয়েছেন। টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, এস এম আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ ও মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খিলক্ষেত এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানের আরও তথ্য ও প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের পরবর্তী পর্ব প্রকাশিত হবে।