October 27, 2026, 9:21 pm
শিরোনাম :
পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ যাত্রাবাড়ীতে সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মুঠোফোন কেড়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আদাবর থানায় ওসি জাহিদের উদ্যোগে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ নির্মূলে তৎপরতা ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কালীগঞ্জ ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী রবিউল ইসলাম এর আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস রাজশাহীর বেলপুকুরিয়ায় দোমাদী আদর্শ কৃষি ক্লাবের উদ্যোগে মাদক ও জুয়া বিরোধী আলোচনা সভা ‎গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই আলতাফের বিরুদ্ধে আইজিপির দপ্তর ও অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ কলাপাড়ায় স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী কৃষ্ণ কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ চুরি ঘিরে নানা অভিযোগ নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের   ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব়্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ হাসপাতালে রোগীর স্বর্ণালংকার চুরির চেষ্টা, আনসার সদস্যদের হাতে আটক ৪ নারী

যাত্রাবাড়ীতে সার্জেন্ট কতৃক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মুঠোফোন কেড়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে

স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার:

 

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় সার্জেন্ট সাখাওয়াত ও তার সহযোগী কর্তৃক সাংবাদিককে হেনস্থা ও ট্রাফিক বক্সের ভিতরে এক ব্যক্তিকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

 

যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার পাবলিক টয়লেটের সামনে দুটি অটোরিক্সাকে কেন্দ্র করে ‘দৈনিক সকালের সময়’র স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম শাহীনের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন সার্জেন্ট সাখাওয়াত ও তার সহযোগী। সরজমিনে দেখা যায় গত ১৬ অক্টোবর বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটের সময় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা পাবলিক টয়লেটের সামনে দুটি অটো রিক্সার উপরে দুজন কনস্টেবল বসে আছে এবং এটিএসআই রিকশাওয়ালাদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। এভাবে প্রায় দুই মিনিট সময় গড়িয়ে গেল কিন্তু কোন সমাধান হলো না উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলছেই। এমন সময় সার্জেন্ট সাখাওয়াত হোসেন সেখানে এসে উপস্থিত হন যা ৫/৬ হাত দূরে থেকে লক্ষ্য করা যায়। সার্জেন্ট আসার পরেও তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি মুঠোফোনের মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করি। এমন সময় সার্জেন্ট সাখাওয়াত হোসেন ভিডিও করা দেখে আমার দিকে তেড়ে আসেন এবং ১৪ সেকেন্ড ভিডিও চলমান অবস্থায় মুঠোফোনটি হাত থেকে কেড়ে নিয়ে আমার পরিচয় জানতে চান। এ সময় আমি তাকে সাংবাদিক পরিচয় দেই এবং আইডি কার্ডটি তার সম্মুখে প্রদর্শন করি। কিন্তু আইডি কার্ডটি তাকে দেখানোর পরেও সার্জেন্ট সাখাওয়াত ও বায়েজিদ নামে একজন (হয়তোবা সার্জেন্ট) জোরপূর্বক আমাকে পুলিশ বক্সের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধ্য করেন। আমি সাংবাদিক সার্জেন্ট সাখাওয়াত ও বায়েজিদকে বারংবার অনুরোধ করি মোবাইলটা আমার হাতে দেন আমি পুলিশ বক্সে যাচ্ছি। কিন্তু কে শুনবে কার কথা জোর যার মুল্লুক তার। পরিতাপের বিষয় যে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে প্রবেশ করার পরে সার্জেন্ট সাখাওয়াত আমাকে তুই-তোকারি ব্যবহার করা ছাড়াও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তোলেন। পুলিশ বক্সের ভিতরে ৩/৪ মিনিট কথা কাটাকাটির পরে সেখানকার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা (টিআই) মাহবুব সিভিল পোশাকে সেখানে এসে উপস্থিত হন এবং এগ্রেসিভ অবস্থায় পরিচয় পত্রসহ ঠিকানা জানতে চাই। তৎক্ষণাৎ হাতে থাকা আইডি কার্ডটি তার হাতে দেয়ার পরেও উগ্র কন্ঠে বারংবার সম্পাদক স্যারের নাম্বার চাইতে থাকে কথা বলে আমার পরিচয় কনফার্ম করার জন্য। তিনি আইডি কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরে আমার সম্পাদক স্যারের সাথে কথা বলে আমার পরিচয় পুনরায় কনফার্ম করেন এবং দৈনিক সকালের সময় অনলাইন বা প্রিন্ট কি-না? ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন করেন এবং কথা শেষে আমার মুঠোফোন ও আইডি কার্ডটি ফেরত দিয়ে দেন।

 

যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় অবস্থিত ট্রাফিক পুলিশ বক্স না-কি টর্চার সেল?

একই সময়ে পুলিশ বক্সের ভেতরে আমার সাথে অ্যাস কালারের গেঞ্জি পরিহিত বাম হাতে ঘড়ি একটি ছেলেকেও ধরে নিয়ে আসে। তার নাম পরিচয় জানিনা। শুধু জানতে পেরেছি তার বাড়ি বরিশাল ভোলা ওই ছেলে সম্পর্কে বিস্তারিত কোন তথ্য এখনো আমার হাতে আসে নাই। আমি বাম পাশের চেয়ারে বসা এবং ওই ছেলেটি আমার ডানপাশে দুই তিন হাত দূরের চেয়ারে বসা। কিছুক্ষণ পরে লক্ষ্য করলাম রুমের লাইট বন্ধ করে কনস্টেবল ও সার্জেন্ট সহ একাধিক ব্যক্তি ওই ছেলেটিকে কিল ঘুসি মারছে। পুলিশ বক্স থেকে বাহির হওয়ার পরে কয়েকজনের নিকট জানতে চাইলাম আমার পাশে একটি ছেলেকে মারল কি কারনে, তারা বলল উনিও আপনার মত ছবি তুলেছিল।

 

গত মাসের শেষের দিকে যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (টিআই) মাহবুবের নিকট রাস্তার উপরে অবৈধ লেগুনার পার্কিং এবং পুলিশ বক্সের ডানপাশে রাস্তার উপরে সকাল থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত রাস্তা দখল করে মাছ বিক্রয় করার ব্যাপারে বক্তব্য নিতে তার অফিসে গেলে ‘দৈনিক সকালের সময়’কে বলেন, এ ব্যাপারে আমি কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। আমার অধীনস্থ কোন বিষয়ে জানা থাকলে আপনি ওয়ারীর ডিসি স্যারের সাথে কথা বলতে পারেন বা বক্তব্য নিতে পারেন।



ফেসবুকে আমরা