August 7, 2026, 2:59 am
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ ব্যাংকিং খাতের নিরাপত্তা জোরদারে র‍্যাব-৩, বাংলাদেশ ব্যাংক ও BFIU-এর টাউন হল মিটিং ডিসি পদ পেতে ৬৯ কোটি টাকার ‘ডিল’! ফাঁস হওয়া কথিত সম্মতিপত্রে তোলপাড় প্রশাসন সচিবালয় অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিল আটকে দিল পুলিশ রাজধানীতে শপিং ব্যাগে মিললো তরুণীর খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত! ‘আমরা কাউকে অসম্মান করতে আসিনি, জনগণের দাবি নিয়ে এসেছি’ সচিবালয় ঘেরাও করতে গেল ১১ দলীয় ঐক্য, আটকে দিলো পুলিশ নারায়ণগঞ্জে ছা’ত্রদ’ল ও ছা’ত্রশি’বি’রের সং’ঘ’র্ষ শিবপুর হাট স্কুল মাঠে যুবদল নেতা সোহেল রানা বলেন “মাদকনিয়ন্ত্রন নয় মাদক নির্মূল করার পক্ষে আমি” গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

হানিট্র্যাপের অভিযোগে আলোচনায় দেহ ব্যবসায়ী সিতুল মুনা চৌধুরী, টার্গেটে ধনাঢ্য ও প্রভাবশালীরা?

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেসবুকে বন্ধুত্ব, মেসেঞ্জারে ঘনিষ্ঠতা, ভিডিও কলে ব্যক্তিগত মুহূর্ত—এরপর শুরু ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ। রাজধানীতে সক্রিয় একটি কথিত হানিট্র্যাপ চক্রকে ঘিরে এমন অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সিতুল মুনা চৌধুরী।

 

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাবশালী, ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের টার্গেট করে প্রথমে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হয়। পরে ভিডিও কল বা ব্যক্তিগত সাক্ষাতের মাধ্যমে গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সেগুলো ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়।

 

সিতুল মুনা চৌধুরীর একাধিক ফেসবুক আইডি রয়েছে। যেগুলো ব্লাকমেইল এর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতো।

ফেসবুক ব্যবহার করে ব্লাকমেইল এর হাতিয়ার।

 

অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, মিরপুর ও উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকার ফ্ল্যাট, হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবহার করে এই কার্যক্রম পরিচালিত হতো। সম্প্রতি মিরপুর-২ এলাকার একটি ফ্ল্যাটকে ঘিরেও এমন অভিযোগ সামনে এসেছে।

 

একাধিক সূত্রের ভাষ্য, সিতুল মুনা চৌধুরী অতীতে একাধিক বিয়ে করেছেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

মুনার সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী পরিচয় দেওয়া গোলাম মোস্তফা (মোস্তফা সরদার) দাবি করেন, তিনি এখন আর এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নন এবং নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাংক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে তাঁর কাছ থেকেও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায় করা হয়েছে।

 

সূত্রগুলোর দাবি, চাহিদামতো অর্থ বা সুবিধা না দিলে মামলা, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা কিংবা বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে। এমনকি আপস-মীমাংসার নামে অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হানিট্র্যাপ চক্রগুলো শুধু অর্থ আদায় নয়, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা এ ধরনের চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

তবে উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব বিষয় বিভিন্ন সূত্র ও অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত নয় এবং তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।



ফেসবুকে আমরা