June 14, 2026, 3:30 am
শিরোনাম :
ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? ব্রাজিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলে সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমর্থকদের জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন। নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই সিরাজদিখানে জমি বিরোধে ছয়জনকে জখমের ঘটনায় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন নিলয় গ্রেফতার কসবায় দুই গ্রামবাসীর সং’ঘ’র্ষ, আ’হত ৬০ সিরাজদিখানে পুলিশের ১২ ঘণ্টার ঝটিকা অভিযান: সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ১৪ সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, মুগদা থানায় জিডি হানি ট্র্যাপ চক্রের গডফাদারের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকি, মুগদা থানায় জিডি। সিরাজদিখানে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত কাঠের ব্রীজের শুভ উদ্বোধন মুগদায় হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের গডফাদার হিজড়া মৌসুমী ও মাদক ব্যবসায়ী রুমার আতংকে এলাকাবাসী

‘সম্পদের সীমাবদ্ধতায় অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট কঠিন ছিল’ বাজেটে মানুষের চাওয়ার প্রতিফলন ঘটেছে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট রিজিমে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট রিজিম ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পার করে বাজেট পেয়েছে। আওয়ামী আমলে দেশের প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে, অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাই সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট করা কঠিন ছিল।

বাজেটে মানুষের চাওয়ার প্রতিফলন ঘটেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বাজেটে প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা হয়েছে। মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বি, আমরা সবার সাথে কথা বলে প্রত্যাশা প্রতিফলনের চেষ্টা করেছি বাজেটে। প্রতিটি নাগরিককে বাজেট চিন্তায় আনার চেষ্টা করেছে সরকার। কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ এই বাজেটের আওতার বাইরে থাকেনি।

তিনি দাবি করেন, অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করার উদ্দেশ্য ছিল এবারের বাজেটে। আগে যা ছিল কিছু মানুষ বা গোষ্ঠীর জন্য। কারণ সবার জন্য রোডম্যাপ দেয়া হয়েছে, বাস্তবায়নে কী কী করতে হবে তা পরিষ্কার করে দেয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ পরিবেশসহ প্রতিটি প্রকল্প ব্যায়ে ৪ ধরনের কন্সিডার করা হয়েছে বাজেটে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটর ভাবনা, চিন্তা ও দর্শন ভিন্ন। ‘রুল বেইজড অর্ডার’ থেকে বিশ্ব সরে এসেছে, যুদ্ধ নতুন করে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে। ফলে প্রোপার অর্থনীতিতে যাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। অবিঘাত বেশি এসেছে জ্বালানি খাতে।

ব্যাংকিং ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলাতে পাচার ও লুটপাটের কারণে ঘাটতি ও কস্ট অব ফান্ডের অভাবে মূল্যস্ফীতিতে পড়ছে।

ব্যবসা বান্ধব অবস্থা সৃষ্টিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ব্যবসা পরিচালন ব্যয় কমানের চেষ্টা করা হচ্ছে। পণ্য খালাস থেকে বাজার পর্যন্ত অধিক খরচ করতে হয়। সেটি প্রভাব ফেলে মূল্যস্ফীতিতে। ইতোমধ্যে তেল-গ্যাসের মূল্য বেড়েছে। বহিরাগত মূল্য বৃদ্ধিতে কিছু করার থাকে না। ফলে অভ্যন্তরীণ খরচ কমানোর চেষ্টা চলছে। এটি কমানো গেলে আগামীতে মূল্যস্ফীতি কমাতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি ক্রয়ে বাফারস্টক রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পোর্টে খরচ ও দুর্নীতি কমানোরও চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা