October 29, 2026, 1:33 am
শিরোনাম :
অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়? ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কাল ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম ‎ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশে ডেমরা সেতু সংস্কার কাজের জন্য   ৩ কিলোমিটার জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা রূপগঞ্জে লক্ষীপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হাজী মাসুমের শুভেচ্ছা বিনিময় পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারারাত ধরে পরিষ্কার হলো পরিষ্কার হলো ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগের তান্ডবের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

দলবদল করেও দাপট অটুট? সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

জাহিদুল আলম

রাজধানীর খিলগাঁও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছেন সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তার প্রভাব ও দাপট কমেনি; বরং নতুন পরিচয়ে তিনি তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক-এর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার নাম ভাঙিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি বাণিজ্য, ঘুষ ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায় করতেন। বিভিন্ন জেলায় কর্মরত অবস্থায় জেলা প্রশাসনকেও উপেক্ষা করে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বর্তমানে তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে তিনি একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে তুলেছেন। বদলি বাণিজ্য থেকে শুরু করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন—“পুরনো বোতলে নতুন মদ”; অর্থাৎ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তার কার্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক দলিলকে আবাসিক দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে দলিল লেখক ও সাধারণ মানুষ তার অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

কিছু সূত্র আরও দাবি করেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকেন্দ্রিক অর্থ লেনদেন, বদলি বাণিজ্য ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। এমনকি দুদককেও মাসোহারা দেওয়ার কথা তিনি প্রকাশ্যে বলে থাকেন—এমন অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, রেজিস্ট্রেশন সেবাকে স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে হলে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তারা দ্রুত তদন্তসাপেক্ষে দোষ প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন সচেতন



ফেসবুকে আমরা