
কুমিল্লা প্রতিনিধি।
কুমিল্লায় আল্লামা নুরুল হকের জানাজায় নেমে আসে লাখো মুসল্লির ঢল, জানাযার শেষে চৌদ্দগ্রামে দাফনের কাজ সম্পন হয়।
কুমিল্লার সুয়াগঞ্জ টি এ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আল্লামা নুরুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও কুমিল্লা জেলা সভাপতি আল্লামা নুরুল হকের জানাজায় লাখো মুসল্লির সমাগম দেখা যায়। বুধবার বেলা ১১টায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগঞ্জ টি এ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাঁকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দাতামা (সাতবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কাপনের কাজ সম্পন করে মরহুমের পরিবার। উল্লেখ ভাবে জানাযায়,
মঙ্গলবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আল্লামা নুরুল হক, যিনি বটগ্রামের হুজুর নামে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স আনুমানিক ১০৫ বছর।
জানাজায় কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আলেম-উলামা, বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, ভক্ত-অনুরাগী ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ নিয়ে থাকে। সকাল থেকেই প্রিয় আলেমকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে জানাজাস্থলে একপর্যায়ে নেমে আসে মানুষের ঢল।
বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে সুয়াগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মুসল্লিরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র ও অনুসারীদের প্রতি সমবেদনা জাানিয়েছেন , লালমাই উপজেলা বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সৌদি প্রবাসী , ভুলইন উত্তর ইউনিয়ন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মানবিক ফেরিওয়ালা হিসাবে সু পরিচিত আলহাজ্ব আবদুল জলিল সওদাঘর। এক শোকবার্তায় প্রবাস থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল সওদাগর উল্লেখ করে বলেন , ‘আল্লামা নুরুল হক ছিলেন এ অঞ্চলে দ্বীনি শিক্ষার একজন পথিকৃৎ ও প্রাজ্ঞ আলেম। দ্বীনি শিক্ষার প্রসার এবং অসংখ্য আলেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে । তাঁর ইন্তেকালে আলেমসমাজ ও দ্বীনি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।’
শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে থাকেন আব্দুল জলীল সওদাগর। মহান আল্লাহর কাছে তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা দানের প্রার্থনাও জানান তিনি।
আল্লামা নুরুল হক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও কুমিল্লা জেলা সভাপতি