October 29, 2026, 2:27 am
শিরোনাম :
অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়? ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কাল ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম ‎ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশে ডেমরা সেতু সংস্কার কাজের জন্য   ৩ কিলোমিটার জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা রূপগঞ্জে লক্ষীপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হাজী মাসুমের শুভেচ্ছা বিনিময় পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারারাত ধরে পরিষ্কার হলো পরিষ্কার হলো ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগের তান্ডবের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে অসহায় সুবর্ণার পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মির্জা ফয়সল

মোঃ নুর ইসলাম

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুর গ্রামের সুবর্ণা দীর্ঘদিন ধরে কোমরের জোড়া ও হাড়ের জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা কিংবা দৈনন্দিন কাজ করাও তার জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ হতে প্রয়োজন ছিল জটিল অস্ত্রোপচারের। এ চিকিৎসায় ব্যয় হওয়ার কথা ছিল ১০ লাখ টাকারও বেশি। কিন্তু অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না সুবর্ণার পরিবার।

এ অবস্থায় সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরা বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীর কাছে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনকে বিষয়টি অবহিত করেন।

বিষয়টি জানার পর সুবর্ণার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেন মির্জা ফয়সল আমিন। তার সহযোগিতায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সুবর্ণার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের বাড়িতেও ফিরেছেন সুবর্ণা।

বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলী বলেন, সুবর্ণার পরিবার অত্যন্ত অসহায়। চিকিৎসার খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না। বিষয়টি মির্জা ফয়সল আমিনকে জানানোর পর তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা আজ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণাকে অসুস্থ অবস্থায় কষ্ট করতে দেখেছেন তারা। হাঁটাচলা করতে না পারায় তার জীবন অনেকটা থমকে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়ায় এখন তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় তারা মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও সুবর্ণার সুস্থতার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সহযোগিতা করার জন্য ঐ ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তারা।

সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরাও মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অর্থের অভাবে যখন চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না, তখন তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা নতুন করে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন।



ফেসবুকে আমরা