
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নির্বাচনী হাওয়ায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রচার-প্রচারণার আনুষ্ঠানিক শুরুর আগেই দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্থানীয় তরুণ প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন। গতানুগতিক রাজনীতির মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে হতাশ ভোটাররা এবার তাকেই আগামীর সবচেয়ে যোগ্য সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবির মোহ ছাড়াই শুভপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন আলমগীর হোসেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে অসংখ্য ভোটার একমত হয়ে বলছেন, “ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর একজন সৎ, নির্ভীক ব্যক্তি — আজ পর্যন্ত তার মধ্যে কোনো লোভ, লালসা বা হিংসামূলক আচরণ আমরা দেখিনি।”
ব্যক্তিগত অর্থায়নে দুস্থ পরিবারের সাহায্য, রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, গ্রামের রাস্তা-ঘাট মেরামতসহ বিভিন্ন জনহিতকর কাজ করার মাধ্যমে তিনি ইউনিয়নের সব শ্রেণির মানুষের সাথে গভীর সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, গ্রামের পথঘাট সর্বত্র এখন তার সততা ও মানবিক আচরণের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের দাবি, “এমন একজন ব্যক্তিকে শুভপুর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করার সুযোগ দেওয়া আমাদের মূল কর্তব্য।
সম্প্রতি আমাদের প্রতিনিধির সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা খোলামেলা তুলে ধরেছেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ প্রসঙ্গে আলমগীর হোসেন বলেন, “আমি বর্তমানে ব্যবসায়িক কাজে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে হচ্ছে, কখনোই আমি উচ্চাভিলাষী হয়ে চেয়ারম্যান বা এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখিনি। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল রাব্বুল আলামিন আমাকে যতটুকু তৌফিক দিয়েছেন, তা দিয়ে আমার শুভপুর ইউনিয়নের অসহায় মানুষের মুখে সামান্য হাসি ফোটানো।”
নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, “অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ভাই প্রতিনিয়ত আমাকে কল দিচ্ছেন এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন। আমি মনে করি এটি জনগণের ভালোবাসা ও দোয়ার ফসল। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যদি কবুল করেন এবং আমার প্রিয় ইউনিয়নবাসী যদি সমর্থন করেন, তবে আমি ইনশাআল্লাহ স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”
নির্বাচিত হলে কর্মপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “আমি যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হই, তবে দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার প্রথম লক্ষ্য। অতীতের মতোই আমি প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে সরকারি সব সেবা পৌঁছে দেব, কোনো বাসিন্দাকে ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত করা হবে না।” আনুষ্ঠানিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই স্থানীয় জনমতের বড় অংশ এখন প্রকৌশলী আলমগীর হোসেনের পক্ষেই ঝুঁকছে। ভোটারদের প্রত্যাশা, শিক্ষিত, মানবিক ও সততার প্রতীক এই তরুণ নেতৃত্ব পেলে শুভপুর ইউনিয়ন দ্রুত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।