October 29, 2026, 2:29 am
শিরোনাম :
অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়? ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কাল ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম ‎ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশে ডেমরা সেতু সংস্কার কাজের জন্য   ৩ কিলোমিটার জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা রূপগঞ্জে লক্ষীপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হাজী মাসুমের শুভেচ্ছা বিনিময় পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারারাত ধরে পরিষ্কার হলো পরিষ্কার হলো ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগের তান্ডবের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ‘১০% কমিশন’ অভিযোগ: স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":3},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

ঢাকায় গণপূর্ত বিভাগের আরবরিকালচার শাখায় কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রকল্প অনুমোদন ও ফাইল প্রক্রিয়াকরণে কমিশন গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তিনি নাকি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রায় ১০ শতাংশ কমিশন দাবি করেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সরকারি দায়িত্ব অনুযায়ী, একজন নির্বাহী প্রকৌশলীর কাজ হলো প্রকল্পের নথিপত্র যাচাই-বাছাই, তদারকি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়মমাফিক সম্পন্ন করা। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্ধারিত কমিশন ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ফাইল স্বাক্ষর বা অনুমোদন বিলম্বিত করা হয়, যা সরকারি সেবার গতি ও স্বচ্ছতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকারি প্রকল্পে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ সাধারণত বড় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে তা কেবল প্রশাসনিক অনিয়মই নয়, বরং জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের প্রশ্নও সামনে আনবে।

বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি অভিযোগ পেলে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালিয়ে প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সত্যতা উদঘাটন করা জরুরি।

প্রশাসন বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়। তাই অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয় এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে অনিয়মের অভিযোগকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।

অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা



ফেসবুকে আমরা