October 29, 2026, 3:15 pm
শিরোনাম :
অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়? ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কাল ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম ‎ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশে ডেমরা সেতু সংস্কার কাজের জন্য   ৩ কিলোমিটার জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা রূপগঞ্জে লক্ষীপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হাজী মাসুমের শুভেচ্ছা বিনিময় পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারারাত ধরে পরিষ্কার হলো পরিষ্কার হলো ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগের তান্ডবের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার শাহিন আলম, অন্যান্য সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি প্রিয়া চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রিয়া চৌধুরী

বগুড়া মহানগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা, জিয়া সাইবার ফোর্সের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক প্রতিনিধি এবং জাতীয় দৈনিক দেশ বুলেটিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত মো. শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শাহিন আলমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বগুড়া মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে। তবে তিনি যে অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, সেসব সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করলেও অভিযোগ রয়েছে, সেই নীতিকে উপেক্ষা করে শাহিন আলম মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনও ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, শাহিন আলমের মাদক সেবনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, “আমাকে পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে আমার সম্মানহানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং আইনগত বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।



ফেসবুকে আমরা