
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে সাইবার বুলিং, ব্ল্যাকমেইল এবং অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন শাবনুর আক্তার নামে এক নারী। এ ঘটনায় তিনি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দাম্পত্য জীবনে তিনি দীর্ঘদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। স্বামীর একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি জানার পরও সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নির্যাতনের মাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠলে শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।
শাবনুর আক্তারের দাবি, বিচ্ছেদের পর তার সাবেক স্বামী সালাউদ্দিন সুজন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে বিভিন্ন সময় অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে অর্থ না দেওয়ায় ওই ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শাবনুর আক্তারের দাবি, বিচ্ছেদের পর তার সাবেক স্বামী সালাউদ্দিন সুজন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে বিভিন্ন সময় অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দেন। পরে অর্থ না দেওয়ায় ওই ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও কেবল তার সাবেক স্বামীর কাছেই সংরক্ষিত ছিল এবং অন্য কারও কাছে ছিল না। তাই ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তার কাছে ভিডিওসহ প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন।
শাবনুর আক্তার বলেন, “আমার মান-সম্মান ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। একসময় যাকে নিজের সবচেয়ে আপন মানুষ ভেবেছিলাম, সেই মানুষই আজ আমাকে সমাজের সামনে অপমানিত করেছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার চাই।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে সাইবার হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এমন ঘটনার শিকার না হন।
প্রতিবেদকের মন্তব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো ভুক্তভোগীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত সালাউদ্দিন সুজনের বক্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে।