August 3, 2026, 3:04 pm
শিরোনাম :
১৬০৯ কোটি টাকার এক্সেল লোড প্রকল্প ‘লাইফ সাপোর্টে’ সাত বছরেও কেনা হয়নি মূল যন্ত্র, অর্ধেকের কম বাস্তবায়নে ঝুঁকিতে মহাসড়ক সুরক্ষা ‘৩% দুলাল’ বিতর্কে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুজ্জামান: দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা নারী থেকে দুর্নীতি—বিভিন্ন অভিযোগে আলোচনায় গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খান সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, ন্যায়বিচার চাইলেন শাবনুর আক্তার উন্নতমানের পণ্য ও বিশ্বস্ত সেবায় আলিফ ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড। ২৮ লাখ টাকার জাল নোটসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে গুলশান থানা পুলিশ ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোটরসাইকেলের সামনেও বসছে নম্বর প্লেট হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাউফলে মানববন্ধন

রাজধানীর তুরাগে রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম ও চাঁদাবাজি”

নিজস্ব প্রতিবেদক

উত্তরা বিভাগের তুরাগ থানাধীন বামনারটেক এলাকার ৩ নং রোডে রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাবরিনা এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে। নিম্ন মানের কাঁচামাল ও রাস্তা নির্মাণের সঠিক নিয়ম কানুন না মেনেই ধীর গতিতে ইচ্ছা মাফিকভাবে চলছে রাস্তা নির্মাণের কাজ। অভিযোগ উঠেছে রাস্তা সংস্কৃারের অজুহাতে ইন্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজু এলাকার কতিপয় কিছু চাঁদাবাজদের সাথে যোগসাজোশ করে ভূমি অধিগ্রহণের কোন আইনি নোটিশ ছাড়াই সঠিকভাবে কাউকে অবগত না করেই মানুষের বাড়ীঘর ভেংগে দিয়ে এলাকার মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন। সরকারী নিয়মে রাস্তা নির্মাণের সঠিক তথ্য সম্পর্কিত সাইনবোর্ড প্রকল্প ব্যয় / রাস্তা সম্পর্কিত কোন কিছুই সরজমিনে পরিলক্ষিত হচ্ছে না। অন্য দিকে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক জনাব শফিকুর রহমান মিল্টন সম্প্রতি নির্মাধীন রাস্তার কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দিলেও তাতে কোন কর্নপাত করছে না উক্ত রাস্তা নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ নিয়ে এলাকার ক্ষতি গ্রস্থ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা পরিলক্ষিত যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ভূক্তভোগী এক এলাকাবাসী জানান,সরকার রাস্তা নির্মাণ করে ট্যাক্স নিবে আমরা ট্যাক্স দিবো কিন্তু আমাদের ক্ষতি গ্রস্থ করে টাকা আদায় ও বিভিন্ন অনিয়ম করে রাস্তা নির্মাণ করে আমরা প্রহসনের স্বীকার হচ্ছি। এ বিষয় ঠিকাদার রাজু ও ইন্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৃষ্টি বাদলসহ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে রাস্তার কাজ দেরী হচ্ছে বলে জানান, যা তার বক্তব্যর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবী, সঠিক নিয়মে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন সকল এলাকাবাসী।



ফেসবুকে আমরা