
সাব্বির শেখ,বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনা সদর উপজেলার ১ নং বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের ফুলঝুড়ি বাজারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এবার স্থানীয় যুবক রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, তিনিই সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন এবং তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফুলঝুরি বাজারে গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেলকে ডেকে নিয়ে যায়, আল মামুন ইকবাল পিতা পিতা সোবাহন ও আল-আমিন আকন পিতা মৃত্যু হাবিব আকন।
এবং মোঃ দুলাল আকন পিতা মৃত্যু হাবিব আকন সহ
এদের একটি চক্র। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায় সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এতে
সময় তাকে মারধর করে আহত করা হয় সেখানে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয় এতে উভয় গুরুতর আহত হয়,এসময় স্থানীয় লোকজন রিয়াজ ও সোহেলকে উদ্ধার করে দ্রুত বরগুনের সদর হাসপাতালে ভর্তি করে,উভয়ের অবস্থা আশঙ্কজনক দেখা দিলে হাসপাতালে অনেকদিন ভর্তি থেকে চিকিৎসায় উন্নতি না হলে এক পর্যায় ঢাকা মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলে তার উভয়ে চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা খরচ হয় এ অভিযুক্ত রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন,
এসময়ে রিয়াজের কাছ থেকে নগদ টাকা,মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি রিয়াজুল ইসলাম জানান, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মূলত আমি নিজেই হামলার শিকার। একটি পক্ষ আমাকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।”তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন এটি পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘটিত ঘটনা, আবার কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে দোষ চাপানোর চেষ্টা বলে মনে করছেন। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, “ঘটনাটি আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।”
বর্তমানে এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।