October 29, 2026, 1:32 am
শিরোনাম :
অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি: ফেসবুকে জেসিকার ‘আত্মহত্যার হুমকি’ রেজিস্টারে মিলছে না হিসাব, তাহলে কৃষকের সার যাচ্ছে কোথায়? ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কাল ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম ‎ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশে ডেমরা সেতু সংস্কার কাজের জন্য   ৩ কিলোমিটার জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা রূপগঞ্জে লক্ষীপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হাজী মাসুমের শুভেচ্ছা বিনিময় পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারারাত ধরে পরিষ্কার হলো পরিষ্কার হলো ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগের তান্ডবের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

গণপূর্তের ই/এম বিভাগে ৫% কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ—সরকারি প্রকল্পে স্থবিরতা ও অর্থক্ষতির শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

গণপূর্ত অধিদপ্তর-এর ই/এম বিভাগ-১১, ঢাকায় কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিটি প্রকল্পে ৫% ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা সরবরাহকারী ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ফাইলে স্বাক্ষর বা বিল অনুমোদন স্থগিত রাখা হয়। এতে একদিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন ধীরগতির শিকার হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়মতো বিল অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিল ও নথি আটকে রাখার কারণে অনেক কাজ শেষ হওয়ার পরও ঠিকাদাররা অর্থ পাচ্ছেন না। ফলে প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে যাচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের আর্থিক ক্ষতি বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন—যেমন রাস্তা, সেতু, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য স্থাপনা—সময়ের মধ্যে সম্পন্ন না হলে তার প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। বিলম্বিত প্রকল্পের কারণে স্থানীয় জনগণ ভোগান্তিতে পড়েন এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনের এই সংস্কৃতি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা কেবল আর্থিক ক্ষতিই নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও জনআস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি, ডিজিটাল ফাইল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল। তারা মনে করেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও গতি ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।



ফেসবুকে আমরা