August 4, 2026, 12:35 pm
শিরোনাম :
বাংলাদেশে বিনিয়োগ মানেই ৩০০ কোটির বাজারে প্রবেশের সুযোগ : ববি হাজ্জাজ রাজউকের মোবাইল কোর্টে ২১ ভবনে অভিযান, ৩৩টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট পটুয়াখালী‌তে এবার এইচএস‌সির খাতা দেখ‌ছে শিক্ষার্থীরা ১৬০৯ কোটি টাকার এক্সেল লোড প্রকল্প ‘লাইফ সাপোর্টে’ সাত বছরেও কেনা হয়নি মূল যন্ত্র, অর্ধেকের কম বাস্তবায়নে ঝুঁকিতে মহাসড়ক সুরক্ষা ‘৩% দুলাল’ বিতর্কে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুজ্জামান: দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা নারী থেকে দুর্নীতি—বিভিন্ন অভিযোগে আলোচনায় গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খান

দক্ষিণগাঁও-নন্দীপাড়ায় রাস্তা উন্নয়নের নতুন অধ্যায়, ডিএসসিসির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

জাহিদুল আলম

 

রিপোর্টার: জাহিদুল আলম

ঢাকা, ২৭ এপ্রিল ২০২৬: রাজধানীর দক্ষিণগাঁও, নন্দীপাড়া ও নেয়াজবাগ এলাকায় দীর্ঘদিনের কাঁচা রাস্তার দুর্ভোগ কাটাতে অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ডিএসসিসির অঞ্চল-৬ এর আওতাধীন এসব এলাকায় রাস্তা উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, এমপি।

ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণগাঁওয়ের ৬নং রোডের বাড়ি নং ৩৫/৪/এফ থেকে আশরাফুল হক সুমনের বাড়ি পর্যন্ত ১৬ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি নন্দীপাড়ায় রমজান সাহেবের বাড়ি থেকে বাইতুল আবরার জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন এবং নেয়াজবাগ এলাকার ১৩ নম্বর কাঁচা রাস্তার উন্নয়ন কাজও সম্পন্ন করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোতে রাস্তা ও নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হলেও ভবিষ্যতে এর সুফল বহুমাত্রিক হবে। এতে জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সম্পত্তির মূল্যও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ড্রেন ও খালে ময়লা ফেলা বন্ধ করা এবং বাড়ির আঙিনায় পানি জমতে না দেওয়া এখন সময়ের দাবি। ডিএসসিসি ইতোমধ্যে খাল, ড্রেন ও বক্স কালভার্ট পরিষ্কারে বড় ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পানি নিষ্কাশনের জন্য নদীমুখী আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, উন্নয়ন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়—এটি জনগণের সার্বিক কল্যাণের জন্য। তিনি ঢাকা-৯ এলাকার উন্নয়নকে বৃহত্তর জাতীয় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মশক নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসির চলমান উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং দক্ষিণাঞ্চলের এই এলাকাগুলো আধুনিক নগর সুবিধার আওতায় আরও সুসংহতভাবে যুক্ত হবে।



ফেসবুকে আমরা