April 19, 2026, 2:45 am
শিরোনাম :
মুগদা থানা এলাকায় অটো রিকশা গ্যারেজে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ রাজধানীর মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগর এলাকায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, মাদক বাণিজ্য ও জুয়ার আসর। বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: কঠোর শাস্তির দাবি সিরাজদিখানে মোহাম্মাদীয়া দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর শুভাগমন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক থেকে দূরে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চৌদ্দগ্রামে তরুনদের মাঝে শতাধিক ফুটবল বিতরণ “মুগদায় মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে একা লড়ছেন সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরী” সিরাজদিখানে হাজী আবুবকর সিদ্দিক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলপিজি দামে আগুন রান্নাঘরে ফিরছে লাকড়ির চুলা

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে পটুয়াখালীতে ইলিশের বাজারে আগুন, বড় মাছ দুষ্প্রাপ্য

অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ 

অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর মৎস্য বাজারে হঠাৎ করেই বেড়েছে ইলিশের দাম। দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর ও মহিপুরে সীমিত পরিমাণে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশ মিললেও বড় আকারের ইলিশ প্রায় দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠেছে। ফলে পাইকারি বাজারের প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও, যেখানে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এই জনপ্রিয় মাছ।

রবিবার (১২ এপ্রিল) পটুয়াখালীর আলীপুর ও মহিপুরের পাইকারি মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৯০০ থেকে ১১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি মন ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। এছাড়া ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা, ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা মন দরে।

পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারগুলোতে। শহরের নিউ মার্কেটের মাছ বাজারসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে আকাশছোঁয়া দামে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা ইলিশের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

ক্রেতারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ না কিনলে যেন উৎসবই অপূর্ণ থেকে যায়, কিন্তু বর্তমান দামে তা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রশাসনের কঠোর মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে মৎস্য আড়ৎ মালিকরা বলছেন, কয়েকটি কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে গেছে। তেলের সংকটে পর্যাপ্ত মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার আগে জেলেরা অনেকেই মাছ ধরায় অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন। এর সঙ্গে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে বাড়তি চাহিদা যুক্ত হওয়ায় বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

তারা আরও জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং জ্বালানি সংকট কেটে গেলে ইলিশের দাম কিছুটা কমে আসতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রেতাদের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



ফেসবুকে আমরা