April 21, 2026, 8:17 pm
শিরোনাম :
গলাচিপায় ভোক্তা অধিকার ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভাইয়ের লোক’ পরিচয়ে দাপট দেখিয়ে লাইনে না দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ জবি ছাত্রদল নেতা হিমেলসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ড ও কাস্টমসের যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ মুগদা থানা এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক, জুয়া ও দেহব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের দাবি। গণপূর্তে বদলী বাণিজ্যের অভিযোগ: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান দুদকের তদন্তে পটুয়াখালীতে ৭৭ কেন্দ্রে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা: অংশ নিচ্ছে ২৫,২৩০ পরীক্ষার্থী, সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা মুগদায় মাদকবিরোধী অভিযানে সেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা আহত মুগদা থানার ওসির আহ্বান: মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাং দমনে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন শ্রীপুর ইউনিয়ন বায়তুশ শরফ লহরী জব্বারিয়া দাখিল মাদ্রাসা ২০২৬এর পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান চৌদ্দগ্রামে ইউপি সদস্যের হুমকি-হামলার ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন পুলিশ পরিবারের সদস্যরা।

বরগুনার বদরখালীতে নূর হোসেন নামে এক ব্যক্তির নামে গোয়াল থেকে গরু চুড়ির অভিযোগ।

রুহুল আমিন

বরগুনা জোলার বদরখালী ইউনিয়নে কুমড়াখালী গ্রামে গভীর রাতে গরু চুরি করতে গিয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা নূর হোসেনের নামের এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়েছে জনগণ।

অভিযুক্তরা জানায়,গভীর রাতে নূর হোসেন সহ তার দল মিলে গরুর খামার থেকে গরু চুড়ির চেষ্টার সময় গরু ঘরের গরু গোয়ালের আওয়াজে ভুক্তভোগীর সদস্যরা সজাগ পেয়ে গরুর গোয়ালে আসলে নুর হোসেনকে দেখতে পায় আনোয়ার হোসেন নামে এক ভূক্তভোগী। ভুক্ত ভূগীর ছেলে আব্দুল্লা আল লিওন জানিয়েছেন অভিযোগের বিষয়টি আমাদের কলম পত্রিকার গণমাধ্যমকে জানায় অভিযোগ ব্যক্তির লোম দর্শন বর্ননা করেন বিস্তারিত,,

আসসালামু আলাইকুম।

আমি (আব্দুল্লাহ) আল লিয়ন

আমার বাবার নাম এনায়েত খান এবং আমার দাদার নাম মরহুম ইউসুফ আলী খান।

আমাদের বাড়ি ১ নং বদরখালী ইউনিয়নের উত্তর কুমখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন।

আমি একজন ডিপ্লোমা চিকিৎসক এবং বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছি। আমার ছোট ভাই পড়াশোনার জন্য বরিশালে থাকে। বাড়িতে আমার বাবা-মা ও ছোট বোন থাকেন, তাই পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা কিছুটা উদ্বিগ্ন।

গত রাত, ৯ই মার্চ ২০২৬ খ্রি. ১২টার দিকে আমাদের গরুর খামার থেকে গরু চুরি করার চেষ্টা করে আমাদের গ্রামের নূর হোসেন নামে এক ব্যক্তি (তার সাথে আরও লোক ছিল তাদেরকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি) । গরুর ডাক শুনে আমার বাবা সেখানে গেলে তিনি সে (নূর হোসেন) ব্যক্তিকে গোয়াল ঘরের ভিতরে এক কোণে ঘাপটি মেরে বসে থাকতে দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ আমার বাবা “চোর” বলে ডাক দিলে সে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। তখন আমার বাবা তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন, কিন্তু এরপরও সে দৌড়ে তার বাড়ির দিকে পালিয়ে যায়।

পরে আমার বাবা ও এলাকার কয়েকজন লোক তাকে অনুসরণ করে তার বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় সে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং প্রথমে ঘটনাটি অস্বীকার করতে থাকে। পরে আরও লোকজন জড়ো হলে তাকে বাইরে বের করা হয় এবং তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখানো হলে সে বিষয়টি স্বীকার করে।

এ সময় এলাকাবাসী তাকে কিছু চর থাপ্পর দেয় এবং পরে তাকে পুলিশের কাছে দেওয়ার কথা চিন্তা করে। কিন্তু তার পরিবারের সদস্যরা অনুরোধ করে যে, তার মেয়ের কিছুদিন আগে বিয়ে হয়েছে এবং যদি বিষয়টি তার জামাতা জানতে পারে তাহলে তার মেয়ের সংসার ভেঙে যেতে পারে। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয় এবং এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। কিছুক্ষণ পর সে তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য যে, নূর হোসেন পূর্বে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল এবং এ কারণে সে কয়েকবার জেলেও গেছে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার বিচার হয়েছে।

বিষয়টি আপনাকে অবগত করলাম। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে বিষয়ে আপনার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করছি।

ধন্যবাদ।



ফেসবুকে আমরা