রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মিজান মোল্লাকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এলাকায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।
অভিযোগে জানা যায়, সম্প্রতি একটি সংঘর্ষের ঘটনায় মিজান মোল্লাকে ১ নম্বর আসামি করা হয়। তবে তিনি দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন ন্যায় ও সততার সঙ্গে জীবনযাপন করে আসছেন, কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহলের ‘নোংরা রাজনীতির’ শিকার হয়েছেন।
মিজান মোল্লা বলেন, “যারা আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে নির্যাতন করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করেছে এবং আমার ভাইয়ের ছেলেকে আহত করেছে, তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অথচ উল্টো আমাকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এটা আমাকে হতবাক করেছে।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, তার বিরুদ্ধে কী অপরাধের ভিত্তিতে মামলা দেওয়া হলো। “মান-ইজ্জত দেওয়ার মালিক আল্লাহ। মিথ্যা মামলা দিয়ে কারও সম্মান নষ্ট করা যায় না,”—বলেন তিনি।
নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শে বিশ্বাসী ও নিবেদিত কর্মী দাবি করে মিজান মোল্লা অভিযোগ করেন, একটি মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হয়রানি করতে এই মামলা সাজিয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি কারও বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ না এনে বলেন, “যারা বুদ্ধি, পরামর্শ ও অর্থ দিয়ে এ কাজে সহযোগিতা করেছে, তাদের প্রতি আমার লজ্জা হয়। তারা নিজেদের জাতীয়তাবাদী দলের নেতা দাবি করলেও অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের শাসনামলে নানা সুবিধা নিয়েছে।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে মিজান মোল্লার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়—ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।