April 19, 2026, 3:00 am
শিরোনাম :
মুগদা থানা এলাকায় অটো রিকশা গ্যারেজে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ রাজধানীর মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগর এলাকায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, মাদক বাণিজ্য ও জুয়ার আসর। বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: কঠোর শাস্তির দাবি সিরাজদিখানে মোহাম্মাদীয়া দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর শুভাগমন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক থেকে দূরে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চৌদ্দগ্রামে তরুনদের মাঝে শতাধিক ফুটবল বিতরণ “মুগদায় মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে একা লড়ছেন সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরী” সিরাজদিখানে হাজী আবুবকর সিদ্দিক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পটুয়াখালীতে এলপিজি দামে আগুন রান্নাঘরে ফিরছে লাকড়ির চুলা

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এ প্রকল্প ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জোরালো

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও টেন্ডার কার্যক্রমে অনিয়ম–দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক সময়ে ৬০০ জন কর্মচারী নিয়োগ, ভ্যাকসিন ক্রয় প্রকল্প এবং জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা আয়োজন ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বিভাগটির অভ্যন্তরে চরম অস্বস্তি বিরাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

অধিদপ্তরের সর্বশেষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬০০ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ বোর্ডের কিছু সদস্য সম্মানী ভাতার নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেছেন। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেন্ডার ও ভ্যাকসিন ক্রয়ে প্রশ্ন

ক্ষুরা রোগ নির্মূল কর্মসূচির আওতায় ভ্যাকসিন ক্রয়ে প্রায় ২১ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলে বিলম্ব হওয়ায় তদন্ত কার্যক্রম কতদূর এগিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা নিয়েও বিতর্ক

গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলার আয়োজন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আয়োজন ব্যয়ের একটি বড় অংশে অনিয়ম হয়েছে। যদিও মেলা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, সব কার্যক্রম বিধি মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও প্রতিক্রিয়া

অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজন

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিয়োগ, টেন্ডার ও প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিষ্ঠানটি আবারও আস্থা ফিরে পাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।



ফেসবুকে আমরা