April 21, 2026, 9:33 am
শিরোনাম :
মুগদায় মাদকবিরোধী অভিযানে সেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা আহত মুগদা থানার ওসির আহ্বান: মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাং দমনে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন শ্রীপুর ইউনিয়ন বায়তুশ শরফ লহরী জব্বারিয়া দাখিল মাদ্রাসা ২০২৬এর পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান চৌদ্দগ্রামে ইউপি সদস্যের হুমকি-হামলার ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন পুলিশ পরিবারের সদস্যরা। বরিশাল মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা কাজিরা থানার ১৫ নং আদর্শ নগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে লরবেন আরিফ হোসেন বাড়ি ।  কোনাবাড়ীতে কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ তাণ্ডব ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, নগদ টাকা লুটের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত মুগদা থানা এলাকায় অটো রিকশা গ্যারেজে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ রাজধানীর মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগর এলাকায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, মাদক বাণিজ্য ও জুয়ার আসর। বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ

কেরানীগঞ্জে নোংরা পরিবেশে ভেজাল চকলেট–লজেন্স উৎপাদন: অনুমোদনহীন কারখানায় শিশু শ্রমের অভিযোগ।

সটাফ রিপোর্টার

কেরানীগঞ্জের কুশিয়ারবাগ এলাকার নদীর ঘাট সংলগ্ন স্থানে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চকলেট ও লজেন্স তৈরির একটি অনুমোদনহীন কারখানার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, “আলিফ লজেন্স” ব্র্যান্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত এই কারখানার কোনো সরকারি অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স, BSTI সার্টিফিকেশন বা খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নেই। তবুও প্রভাবশালী পরিচয় ব্যবহার করে কারখানাটি নির্বিঘ্নে চলছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানার ভেতরে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম চলছে। মেঝেতে জমে থাকা নোংরা পানি, খোলা ড্রেনের দুর্গন্ধ, ধুলাবালু এবং বিভিন্ন অজ্ঞাত রাসায়নিক গুঁড়ার সংস্পর্শে চকলেট ও লজেন্স তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি এসব ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে অল্পবয়সী শিশুদের কাজ করতে দেখা গেছে, যা শিশু শ্রম আইন লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোঃ সোহেল নামে একজন ব্যক্তি নিম্নমানের কাপড়ের রং ও কৃত্রিম ফ্লেভারসহ বিভিন্ন রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করে এসব চকলেট তৈরি করে থাকেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, নিম্নমানের রং ও কেমিক্যালযুক্ত খাদ্য শিশুদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ধরনের খাবার খেলে ডায়রিয়া, ত্বকের সমস্যা, কিডনি জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি, ফরহাদ হোসেন আকাশ নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিক ও ম্যাজিস্ট্রেটের পিএস পরিচয় ব্যবহার করে দাপটের সঙ্গে এই ভেজাল চকলেট ও আচার তৈরির কারখানা পরিচালনা করছেন। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, অনুমোদনহীন এই কারখানায় তৈরি চকলেট রাজধানীর বেগমবাজারের পাইকারি বাজারে নিয়মিত সরবরাহ করা হয়। কম দামের কারণে দোকানিরা পণ্যগুলো কিনলেও অধিকাংশ ভোক্তা জানেন না যে তাদের শিশুদের জন্য পাওয়া এসব চকলেট অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদিত।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। তারা জানান, শিশুদের স্বাস্থ্য ও জনসাধারণের সুরক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।



ফেসবুকে আমরা