রাজধানীর ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিমোহনী এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা এলিন হোসেন। তিনি সড়ক দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন।
এলিন হোসেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ত্রিমোহনী গুদারাঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোনো স্থায়ী সড়ক দখল করা হয়নি। বরং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের চাহিদা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের কথা বিবেচনা করেই সেখানে পরিকল্পিতভাবে কিছু স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এতে স্থানীয় জনগণের চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি; বরং রাস্তার পর্যাপ্ত প্রশস্ততা বজায় রাখা হয়েছে।
স্থানীয় প্রতিনিধিরা দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা আরও বলেন, এলিন হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয়কে পুঁজি করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার লক্ষ্যেই ‘দখলদারিত্বের’ অভিযোগ আনা হচ্ছে।
এ বিষয়ে এলিন হোসেন বলেন,
“আমি এই এলাকার সন্তান। জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করা আমার উদ্দেশ্য নয়। বরং এলাকার বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান এবং একটি সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। যদি কোনো সমস্যা থাকে, তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব।”
তিনি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপপ্রচার বন্ধে স্থানীয় সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, জনস্বার্থের পরিপন্থী কোনো কাজ অতীতেও করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না।
উল্লেখ্য, এলিন হোসেন দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ছাত্র রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। এলাকাবাসীর মতে, তিনি সবসময় গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সবমিলিয়ে, স্থানীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন অনেকেই।